রাকিব হোসেনের বয়স ২৮। ঢাকার মিরপুরে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন। মাসের শেষে বেতন পেলে একটু আনন্দ করার জন্য অনেকের মতোই অনলাইন গেমিংয়ের দিকে ঝুঁকেছিলেন। কিন্তু k111 jeep-এর সাথে তাঁর পরিচয় হওয়ার পর বিষয়টা শুধু আনন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।
প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা
রাকিব বলেন, "প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড করার পরেই অবাক হয়ে গেলাম। পুরো বাংলায় সব কিছু লেখা। বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট করতে মাত্র এক মিনিট লাগলো। ওয়েলকাম বোনাসটাও সাথে সাথে অ্যাকাউন্টে এলো।" প্রথম সপ্তাহে তিনি মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে শুরু করেন এবং ছোট ছোট স্লট বেটে সময় কাটান।
কৌশল তৈরির পর্যায়
রাকিবের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল তাঁর নিজের তৈরি করা নিয়ম। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০০ টাকা বাজি ধরবেন — এটাই ছিল তাঁর প্রথম নিয়ম। দ্বিতীয় নিয়ম ছিল, কোনো দিন ৫০০ টাকা জিতলে খেলা বন্ধ। তৃতীয় নিয়ম ছিল, পরপর তিনবার হারলে সেদিনের মতো থামা।
এই সহজ তিনটি নিয়ম মেনে চলার কারণে তিনি কখনো বড় ক্ষতির মুখে পড়েননি। বরং ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা বেড়েছে, কোন গেমে জেতার সম্ভাবনা বেশি সেটা বুঝতে পেরেছেন।
বড় জয়ের দিনটি
মার্চ মাসের একটি সন্ধ্যায় k111 jeep-এর "মেগা স্লট" গেমে একটি বিশেষ ফ্রি স্পিন রাউন্ড ট্রিগার হয়। রাকিব তখন মাত্র ১৫০ টাকার বাজি ধরেছিলেন। সেই একটি ফ্রি স্পিনেই তাঁর স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ৮,৫০,০০০ টাকার পরিমাণ। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি, কয়েকবার চোখ কচলে দেখলেন।
উইথড্রলের জন্য আবেদন করার মাত্র ৭ মিনিটের মধ্যে পুরো টাকা তাঁর বিকাশ অ্যাকাউন্টে চলে আসে। রাকিব এখন সেই টাকার একটা অংশ দিয়ে মিরপুরে একটা ছোট মুদিখানার দোকান দিয়েছেন।